✓একটি মজার ব্যাপার ; আইনস্টাইনের সূত্রমতে, কোনো বস্তু যত দ্রুত বেগে ছুটতে থাকে, এর ভর তত বেড়ে যেতে থাকে । কেউ যদি আলোর বেগে পৌঁছে যায়, এ সময় তার ভর হয়ে যাবে অসীম।
সে জন্যই বিশাল ভরের কোনো কিছুর পক্ষে আলোর বেগ অর্জন করা অসম্ভব ।
আলোর বেগে শুধু তারাই ছুটতে পারে, যাদের কোনো ভর নেই যেমন - আলো!
আইনস্টাইন তাঁর আপেক্ষিকতার সূত্র দিয়ে দেখিয়েছেন, তথ্য আলোর চেয়ে দ্রুতগতিতে ছুটতে পারে না ।
একদিকে,
নিউটনের কাছে সময় ছিল একটা তীরের মতো। সেটা একবার ছুড়ে দেওয়া হলে তা যথাযথভাবে সুষম গতিতে মহাবিশ্বের ভেতর দিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে থাকবে। (তাঁর কাছে পৃথিবীর এক সেকেন্ড ছিল মহাকাশের সব জায়গার এক সেকেন্ড। কারণ, নিউটনের ধারণা ছিল, মহাবিশ্বের সব জায়গার ঘড়িগুলো সিনক্রোনাইজড বা সমলয় করা ।
অন্যদিকে,
আইনস্টাইনের কাছে (সময় একটা নদীর মতো। সময়ের গতি বাড়তে পারে কিংবা ধীরও হতে পারে, তা নির্ভর করে তার গতিপথজুড়ে নক্ষত্র ও ছায়াপথের বাধার কারণে। মহাবিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় সময়ের স্পন্দন বিভিন্ন হারের হতে পারে। সময় সম্পর্কিত নতুন ধারণা অনুযায়ী, সময় নদীর ঘূর্ণিপাকও আছে, যা হয়তো অতীতেও নিয়ে যেতে পারে কাউকে (পদার্থবিদেরা এর নাম দিয়েছেন সিটিসি বা ক্লোজড টাইমলাইক কার্ভস বা বদ্ধ সময়সদৃশ্য বক্রতা)। অথবা সময়ের নদী হয়তো দুটি নদীতেও বিভক্ত হয়ে যেতে পারে। তাতে টাইমলাইন বা সময়রেখাটি ভাগ হয়ে তৈরি করতে পারে দুটি সমান্তরাল মহাবিশ্ব।
টাইম ট্রাভেল :
টাইম ট্রাভেল নিয়ে স্টিফেন হকিং এতই মুগ্ধ হয়েছিলেন যে একবার অন্য পদার্থবিদদের কাছে একটা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন। তিনি বিশ্বাস করতেন। পদার্থবিজ্ঞানে নিশ্চয়ই এমন কোনো গুপ্ত আইন আছে, যা সবার জন্য টাইম ট্রাভেল বাতিল করে দেয়।
আমাদের এখনো খুঁজে না পাওয়া সেই আইনটির নাম হকিং দিয়েছিলেন (ক্রোনোলজি প্রটেকশন কনজেকচার) কিন্তু অনেক চেষ্টা করেও তিনি এই হাইপোথিসিস কখনো প্রমাণ করতে পারেননি ।
Time Travel : Elon Musk 😄 Watch the video 📸

%20(1).webp)
%20(2).webp)