৪০১। জেট ইঞ্জিনের জ্বালানি হিসেবে কেরোসিন ব্যবহৃত হয়।
৪০২। কোন জৈব বস্তুর অসম্পূর্ণ দহনের ফলে উৎপন্ন হয় - কার্বন মনোক্সাইড।
৪০৩। শতাধিক পরমাণু বিশিষ্ট অণুর উদাহরণ- প্লাষ্টিক।
৪০৪। ইনভার্ট সুগার হলো- গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজ এর সমআণবিক মিশ্রণ।
৪০৫। কোন মৌলিক গ্যাস সবচেয়ে ভারী - রেডন।
৪০৬। সংকর ধাতু কাঁসার প্রধান উপাদান হলো- তামা ও টিন।
৪০৭। পানির pH মান 4.5 থেকে কম এবং 9.5 অপেক্ষা বেশি হলে তা জীবের জন্য প্রাণনাশক।
৪০৮। বৈদ্যুতিক ইস্ত্রি এবং হিটারে ব্যবহৃত হয়- নাইক্রোম তার
৪০৯। পারমাণবিক চুল্লীতে জ্বালানি হিসেবে U-235 ব্যবহৃত হয়।
৪১০ । যে ধাতু পানি অপেক্ষা হালকা- সোডিয়াম ।
৪১১ । পৃথিবীতে কোন ধাতু সবচেয়ে বেশি লোহা।
৪১২ । বায়ুমণ্ডলের ওজোনের অবক্ষয়ে কোন গ্যাসটির ভূমিকা সর্বোচ্চ- CFC বা ক্লোরোফ্লোরো কার্বন ।
৪১৩। CO হলো নিরপেক্ষ অক্সাইড। সাদা ফসফরাসকে পানির নিচে রাখা হয়।
৪১৪। S8 (সালফার), I2 (আয়োডিন) ইত্যাদি সমযোজী অণু কঠিন অবস্থায় থাকে।
৪১৫ । পারমাণবিক ভর এককের মান হলো 1.66× 10^-24
৪১৬। প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদানগুলোর মধ্যে-মিথেন 80%, ইখেন 7%, প্রোপেন 6%, বিউটেন ও আইসোবিউটেন 4% ও পেন্টেন 3%।
৪১৭। সাধারণ তাপমাত্রা ও চাপে মিথেন গ্যাসীয় অবস্থায় থাকে ।
৪১৮। খনি হতে সালফার নিষ্কাশন করা হয় ফ্রাশ পদ্ধতিতে।
৪১৯। মারকারি কোষে সোডিয়াম লরাইল সালফোনেট ও মারকিউরাস অক্সাইড (Hg2O) ব্যবহার করা হয় ।
৪২০ । বাংলাদেশে চট্টগ্রামের ইস্টার্ন রিফাইনারীতে তেল পরিশোধন করা হয়।
৪২১। সকল ধাতুর কোন লবণ পানিতে দ্রবণীয় - নাইট্রেট।
৪২২ । কয়লার মূল উপাদান হচ্ছে কার্বন।
৪২৩। গ্রাফাইটে মুক্ত ইলেকট্রন সংখ্যা 1 টি ।
৪২৪। ধাতুর অক্সাইড ক্ষারীয় প্রকৃতির এবং অধাতুর অক্সাইড অম্লীয় প্রকৃতির।
৪২৫। কক্ষ তাপমাত্রায় পানির সাথে বিক্রিয়ায় পটাসিয়াম ধাতুতে আগুন ধরে যায়।
৪২৬। সাবানের রাসায়নিক নাম সোডিয়াম স্টিয়ারেট। সাবানের প্রধান কাচামাল হলো চর্বি এবং ক্ষার।
৪২৭। পরমাণুর তিনটি মূল স্থায়ী কণিকা হলো- ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন ।
৪২৮। বিজ্ঞানী পি.এল সোরেনসেন 1909 সালে প্রথম pH স্কেল ব্যবহার করেন।
৪২৯। নেত্রকোনার বিজয়পুরে সাদামাটি বা কেওলিন ভূ-পৃষ্ঠে টিলারূপে বিদ্যমান।
৪৩০। কোনো দ্রবণে pH স্কেলের বিস্তৃতি সীমা-0-14 pH <7 হলে দ্রবণটি অম্লীয়, P ^ H > 7 হলে দ্রবণটি ক্ষারীয় , p ^ H = 7 হলে দ্রবণটি প্রশম বা নিরপেক্ষ ।
৪৩১। রক্তের লিউকোমিয়া রোগের চিকিৎসায় ³²P এর ফসফেট ব্যবহৃত হয়।
৪৩২। ড্রাইসেল থেকে 1.5 ভোল্ট তড়িৎ বিভব পাওয়া যায়।
৪৩৩। অ্যামোনিয়াম সালফেট (NH4)2SO4 সাদা দানাদার পদার্থ ।
৪৩৪। স্বর্ণ, হীরা, গন্ধক ইত্যাদি হলো মৌলিক খনিজ।
৪৩৫ । কীটনাশক তৈরিতে ব্যবহৃত হয় P। আচার পচে যাওয়ার জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়া।
৪৩৬। বল পয়েন্টে কলমের কালি হিসেবে ব্যবহার করা হয় ইথিলিন গ্লাইকল
৪৩৭। ইঁদুর মারার বিষ ও আগুন বোমা তৈরিতে ব্যবহৃত হয় ফসফরাস।
৪৩৮ । মোমের উপাদান উচ্চতর অ্যালকেন ও স্টিয়ারিক এসিডের মিশ্রণ ।
৪৩৯ । সবচেয়ে তাড়াতাড়ি ক্ষয় হয় জিংক বা দস্তা
৪৪০। টিউব লাইটে ব্যবহৃত হয় আর্গন গ্যাস।
৪৪১। সাধারণ বৈদ্যুতিক বাল্বে ব্যবহৃত হয় নাইট্রোজেন গ্যাস ।
৪৪২। কঠিন পদার্থে তাপ পরিবাহিত হয় পরিবহন পদ্ধতিতে, তরল পদার্থে পরিচলন পদ্ধতিতে এবং বায়বীয় পদার্থে বিকিরণ পদ্ধতিতে।
৪৪৩। এভারেস্টের চূড়ায় পানি ৭০°সে. এ ফুটতে থাকে
৪৪৪। ক্লিনিক্যাল থার্মোমিটারে ৯০° ফারেনহাইট থেকে ১১০° ফারেনহাইট পর্যন্ত দাগ কাটা থাকে ।
৪৪৫ । হুইস্কিঃ বার্লি, ভূট্টা, আঙ্গুর, মোলাসেস গাজনে প্রাপ্ত লঘু ইথানলকে পাতিত করে অ্যালকোহলের পরিমাণকে এর মধ্যে রেখে চিনি ও সুগন্ধ যোগ করা হয়।
৪৪৬। কার্বন, পটাসিয়াম নাইট্রেট ও সালফারের মিশ্রণে বারুদ তৈরি হয়
৪৪৭। ওষুধ কোম্পানির ট্যাবলেটে অ্যালুমিনিয়াম ধাতুর স্ট্রিপ থাকে ।
৪৪৮ । প্রোটিনের মনোমার হলো অ্যামাইনো এসিড। ত্বকের pH মানের আদর্শ সীমা 5.5-6.5।
৪৪৯। অংশ কলামের ১২১ > ১৭০° C তাপমাত্রা অঞ্চল থেকে পৃথকীকৃত অংশকে কেরোসিন বলে
৪৫০ । pH এর আভিধানিক অর্থ হলো হাইড্রোজেনের ক্ষমতা।