৩০১ । বিশুদ্ধ পানি বিদ্যুৎ কুপরিবাহী। প্লুটোনিয়াম-238 হার্টে পেইসমেকার বসাতে ব্যবহার করা হয়।
৩০২। কোন এসিডের মিশ্রণ স্বর্ণ গলিয়ে দেয়-HNO3 ও HCI
৩০৩| COD (Chemical Oxygen Demand) মানে রাসায়নিক অক্সিজেন চাহিদা।
৩০৪। নাইট্রোজেনের প্রধান উৎস হলো- বায়ুমন্ডল ।
৩০৫। গাড়ির ব্যাটারিতে ব্যবহৃত হয়- H2SO4
৩০৬। প্যারালডিহাইড নামক ঘুমের ঔষধ প্রস্তুত করতে অ্যাসিটালডিহাইড ব্যবহার করা হয়।
৩০৭। pH স্কেলের বিস্তৃতি 0-141 Faraday = 96500 C
৩০৮। যুদ্ধের সময় ধুম্রজাল তৈরিতে ফসফরাস ব্যবহৃত হয়।
৩০৯ । অ্যালকেন ও অ্যালকিনসমূহ পানিতে অদ্রবণীয়; তবে বিভিন্ন জৈব দ্রাবকে দ্রবণীয়
৩১০। পরমাণুর কেন্দ্র গঠিত হয় - নিউট্রন ও প্রোটন দিয়ে।
৩১১। পরমাণুর ভর বলতে - নিউট্রন ও প্রোটনের ভরকে বুঝায় ।
৩১২। যে কোনো 1 মোলে অ্যাভোগেড্রোর সংখ্যার সমান সংখ্যক অণু থাকে। অ্যাভোগেড্রোর সংখ্যার মান 6.02×10^23। অ্যাভোগেড্রোর সংখ্যাকে N দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
৩১৩ । তড়িৎ অবিশ্লেষ্য বস্তু কখনো বিদ্যুৎ পরিবহন করে না, কারণ এগুলোতে ইলেকট্রন স্থানান্তর হয় না । যেমন- চিনি, গ্লুকোজ তড়িৎ অবিশ্লেষ্য বস্তু ।
৩১৪ । টর্চ, রেডিও প্রভৃতিতে কোন ধরনের ব্যাটারী বা কোষ ব্যবহৃত হয়- শুষ্ক কোষ ।
৩১৫। লোহার উপর মরিচা পড়া এবং মোমবাতির দহন রাসায়নিক পরিবর্তন।
৩১৬। জীব সংরক্ষণ ও পচন নিবারণের জন্য ব্যবহৃত হয়-ফর্মালিন (CHCl3)
৩১৭। ইউরিয়া সারের কাচামাল-মিথেন গ্যাস।
৩১৮। ভিটামিন 'সি' এর রাসায়নিক নাম-অ্যাসকরবিক এসিড।
৩১৯। কাপড়ে কালির দাগ সহজেই উঠানো যায় দাগের উপর লেবুর রস দিয়ে ঘষে।
৩২০। ইউরিয়া সারে নাইট্রোজেনের পরিমাণ 44-46 শতাংশ।
৩২১। Na, Au বাদে প্রকৃতিতে প্রাপ্ত প্রায় সকল মৌলের একাধিক আইসোটোপ আছে।
৩২২ । পলিথিন পোড়ালে এর উপকরণ পলিভিনাইল ক্লোরাইড পুড়ে উৎপন্ন হয় – কার্বন মনোক্সাইড ।
৩২৩ । কাঁচ তৈরির প্রধান কাচামাল - বালি। আমাদের দেশে প্রাকৃতিক গ্যাস মূলত মিথেন।
৩২৪ অলিয়াম বলা হয় ধূমায়মান সালফিউরিক এসিডকে।
৩২৫ । লবণ মিশ্রিত মসলা অনেক দিন ভালো থাকে কারণ-লবণ মসলার রস শোষণ করে পচন বন্ধ করে ।
৩২৬ । প্রাকৃতিক কোন উৎস থেকে সবচেয়ে বেশি মৃদু পানি পাওয়া যায়- বৃষ্টি ।
৩২৭। সিএনজি চালিত ইঞ্জিনে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয়-মিথেন।
৩২৮। ডেটলের প্রধান উপাদান-ট্রাইক্লোরোফেনল।
৩২৯। বায়ু দূষণের জন্য দায়ী - কার্বন মনোক্সাইড ।
৩৩০। অগ্নিনির্বাপক সিলিন্ডারে থাকে - তরল কার্বন ডাই অক্সাইড
৩৩১ । ফটোগ্রাফিক ফ্লাশ লাইটে প্রধানত Xe ব্যবহার করা হয়।
৩৩২ । শুষ্ক বরফ তৈরিতে কার্বন ডাই অক্সাইড ব্যবহার করা হয়।
৩৩৩ । মানুষ প্রথম যে ধাতুর ব্যবহার শিখে- তামা ।
৩৩৪ । কত ক্যারেট বিশিষ্ট সোনা বিশুদ্ধ সোনা- 24 ক্যারেট।
৩৩৫ । পিপিএম (PPm) মানে parts per million | 1PPm = প্রতি লিটার দ্রবণে 1 মিলিগ্রাম দ্রব।
৩৩৬। আমরা যে চক দিয়ে লিখি তাহলো ক্যালসিয়াম কার্বনেট ।
৩৩৭ । বৈদ্যুতিক বাল্বের ফিলামেন্ট টাংস্টেন দিয়ে তৈরি।
৩৩৮ । পান করার পানির সাথে ক্লোরিন মেশানো হয় ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করার জন্য ।
৩৩৯ । দিয়াশলাই বাক্সের দুধারে কাগজের উপর যে বারুদ থাকে তা আসলে কাচ চূর্ণ মিশ্রিত ফসফরাস।
৩৪০। বিশুদ্ধ পানি বর্ণহীন, গন্ধহীন ও স্বচ্ছ তরল পদার্থ।
৩৪১। পারমাণবিক চুল্লীতে গ্রাফাইট ব্যবহৃত হয় বিক্রিয়ার গতিকে মন্থর করার জন্য
৩৪২। ভাঙা হাড়ের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। প্লাষ্টার অব প্যারিস (CaSO4)2.H2O)
৩৪৩ । জলজ শামুক ও ঝিনুকের খোলস কি দিয়ে গঠিত - ক্যালসিয়াম কার্বনেট।
৩৪৪ । তরল সোনা বলা হয়- প্রাকৃতিক গ্যাসকে। বালি ও চিনির মিশ্রণ একটি অসমসত্ত্ব মিশ্রণ।
৩৪৫। সিমেন্ট তৈরির কাঁচামাল- চুনাপাথর, চায়ন ক্লে ও জিপসাম ।
৩৪৬। বায়ু একটি মিশ্র পদার্থ। চিনির দানা গুঁড়া করলে বড় দানা হতে ক্ষুদ্র দানার সৃষ্টি হয়। এটি ভৌত পরিবর্তন
৩৪৭। মৌলিক কণিকাগুলোর মধ্যে ইলেকট্রনের ভর সবচেয়ে কম এবং নিউট্রনের ভর সবচেয়ে বেশি।
৩৪৮ । বাংলাদেশের পানিতে আর্সেনিকের গ্রহণযোগ্য মাত্রা 0.01 মি. গ্রাম/ লিটার
৩৪৯। কাপড়ে যে মাড় দেওয়া হয় তার প্রধান উৎস স্টার্চ
৩৫০। অধাতুর সক্রিয়তা সিরিজ- F>O>CI>N> Br> S> C> I> P> B> Si
৩৫১। ইঁদুর মারার বিষ হিসেবে ব্যবহৃত হয়- Zn3P2 |
৩৫২। ইলেকট্রন বিন্যাসের ম্যাজিক নম্বর- 2,8,8, 18, 18,32।
৩৫৩। রং-বেরংয়ের আলোক সজ্জায় ব্যবহৃত হয় ক্রিপটন গ্যাস।
৩৫৪। যোজ্যতা পরিমাপে স্ট্যান্ডার্ড হিসেবে ব্যবহৃত হয়- হাইড্রোজেন।
৩৫৫। সাধারণ লবণের গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক যথাক্রমে 801°C ও 1465°C
৩৫৬। মাটির নীচে কয়লা দীর্ঘদিন ধীরে কয়লা কিভাবে হীরকে রূপান্তরিত হয়- প্রবল চাপ ও তাপমাত্রায়
৩৫৭। পঁচা ডিমের গন্ধযুক্ত গ্যাসের নাম- হাইড্রোজেন সালফাইড (H2S)।
৩৫৮। নিষ্ক্রিয় গ্যাসসমূহ এক পরমাণুক । একটি নিউক্লিয়াসের ব্যাস 10-¹⁵ m
৩৫৯। সাবান অপেক্ষা বেশি কার্যকরী ময়লা পরিষ্কারক ধর্ম প্রদর্শন করে- ডিটারজেন্ট।
৩৬০। রাসায়নিক দ্রব্যের রাজা বলা হয় H2SO4 কে
৩৬১। কার্বনের দুইটি প্রধান রূপভেদ হচ্ছে- ডায়মন্ড বা হীরক এবং গ্রাফাইট।
৩৬২। তড়িৎ বিশ্লেষ্য কোষে অ্যানোড ও ক্যাথোড তড়িৎদ্বার হিসেবে ধাতব দণ্ড বা গ্রাফাইট দন্ড ব্যবহার করা হয়।
৩৬৩। সিলিন্ডারে যে গ্যাস বিক্রি করা তা প্রধানত বিউটেন ।
৩৬৪। ফ্যাটি এসিডসমূহের সাধারণ সংকেত- RCOOH
৩৬৫। জন্ডিস, লিভার থিরোসিস রোগের জন্য দায়ী অ্যালকোহল।
৩৬৬। পেট্রোল হচ্ছে পেন্টেন (C5H12) থেকে ডোডেকেন (C12H26) পর্যন্ত যৌগসমুহ
৩৬৭। ডিজেল হচ্ছে ট্রাইডেকেন (C13H28) থেকে অক্টাডেকেন (C18H38) পর্যন্ত যৌগসমূহ।
৩৬৮। পেট্রোলের অপর নাম গ্যাসোলিন। ডিজেলের অপর নাম গ্যাসওয়েল।
৩৬৯। যে পাত্রে তড়িৎ বিশ্লেষণ করা হয় তার নাম তড়িৎ বিশ্লেষ্য কোষ।
৩৭০ । কেরোসিন হচ্ছে ডোডেকেন (C12H26) থেকে পেন্টাডেকেন (C15H32) পর্যন্ত যৌগসমূহ।
৩৭১। বল কলমের কালি তৈরিতে গ্লাইকল ব্যবহৃত হয়।
৩৭২ । কয়লা, তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস জীবাশ্ম জ্বালানির উদাহরণ।
৩৭৩। 1789 সালে সর্বপ্রথম ল্যাভয়সিয়ে ভৌত অবস্থায় উপর ভিত্তি করে মৌলসমূহকে তিন শ্রেণিতে বিভক্ত করেন।
৩৭৪। পানির তড়িৎ বিশ্লেষণে ধাতব প্লাটিনাম (Pt) অ্যানোড ও ক্যাথোড হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
৩৭৫। তেল বা চর্বির সাথে সোডিয়াম বা পটাসিয়াম হাইড্রোক্সাইড দ্রবণের বিক্রিয়ায় সাবান উৎপন্ন হয়।
৩৭৬ । প্রকৃতিতে পাওয়া যায় এমন 98টি মৌলের চার ভাগের তিন ভাগই ধাতু ।
৩৭৭। সারিন গ্যাসের সংকেত C4H10FO2P
৩৭৮। La এর পর Ce থেকে Lu পর্যন্ত এই 14 টি মৌলকে ল্যান্থানাইড সিরিজ বা বিরল মৃত্তিকা মৌল বলে।
৩৭৯। Ac এর পর Th থেকে Lr পর্যন্ত এই 14টি মৌলকে অ্যাকটিনাইড সিরিজ বলে।
৩৮০। কোন বিক্রিয়ার উৎপন্ন বা শোষিত তাপের পরিমাণ ক্যালরিমিটার নামক যন্ত্রের সাহায্যে নির্ণয় করা হয়।
৩৮১। চুনের পানি ঘোলা হয় কোনটির কারণে- কার্বন ডাই অক্সাইডের জন্য
৩৮২। এ পর্যন্ত মৌলিক কণিকা আবিষ্কৃত হয়েছে প্রায় দুই শতাধিক
৩৮৩। ডেরলিন পলিমার দিয়ে চেয়ার, টেবিল, ডাইনিং টেবিল, বালতি ইত্যাদি দ্রব্য তৈরি করা হয়।
৩৮৪ । কোন ধাতুর উপর আঘাত করলে শব্দ হয় না অ্যান্টিমনি।
৩৮৫। লেডের প্রধান আকরিকের নাম গ্যালেনা বা লেড সালফাইড (PbS)
৩৮৬। কপারের প্রধান আকরিকের নাম কপার পাইরাইটস (CuFeS2)
৩৮৭। জিংকের প্রধান আকরিকের নাম জিংক ব্লেন্ড বা জিংক সালফাইড (ZnS)।
৩৮৮। রাসায়নিক অগ্নিনির্বাপক কিভাবে কাজ করে- অক্সিজেন সরবরাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে।
৩৮৯। হীরক কোন মৌলের একটি বিশেষ রূপ- কার্বনের।
৩৯০। 2012 পর্যন্ত 118টি মৌল সনাক্ত হয়েছে।
৩৯১ । তড়িৎ বিশ্লেষণ পদ্ধতিতে একটি ধাতুর উপর অন্য ধাতুর প্রলেপ দেওয়াকে তড়িৎ প্রলেপন বলে।
৩৯২ । এসিডের স্বাদ টক। পরমাণুতে শক্তিস্তরের ধারণা দেন কোন বিজ্ঞানী নীলস্ বোর।
৩৯৩। ডিনামাইট হচ্ছে উন্নত ধরনের বিস্ফোরক। ডিনামাইটের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হচ্ছে নাইট্রো গ্লিসারিন।
৩৯৪ । তড়িৎ রাসায়নিক কোষ আবিষ্কার করেন- আলোক সান্দ্ৰা ভোল্টা।
৩৯৫। হাইড্রোজেনের উৎস হলো প্রাকৃতিক গ্যাস এবং পানি।
৩৯৬। 6-10% অ্যাসিটিক এসিডের জলীয় দ্রবণকে ভিনেগার বলে। অ্যাসিটিক এসিডের গলনাঙ্ক 17°C।
৩৯৭। টুথপেষ্টের প্রধান উপাদান সাবান ও পাউডার।
৩৯৮। চিনির চাইতে মিষ্টি স্যাকারিন প্রস্তুত করা হয়-টলুইন হতে।
৩৯৯। নাইট্রোজেন গ্যাস হতে কোন সার প্রস্তুত করা হয়- ইউরিয়া
৪০০। পানি ঢেলে কেরোসিনের আগুন নেভানো যায় না। কারণ, কেরোসিন পানির চেয়ে হালকা ।