Visit our YouTube channel Visit Now Watch Now!

অনলাইন ফিশিং, পপ-আপস , রিকভারি

 


ফিশিং :

ফিশিং হচ্ছে যখন স্ক্যামাররা তোমার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর, পাসওয়ার্ড এবং ক্রেডিট কার্ড নম্বরের মতো ব্যক্তিগত তথ্য অন্যায়ভাবে বের করার চেষ্টা করে। এটি ইমেল হিসাবে উপস্থাপিত হতে পারে যা তুমি কখনোই করনি এমন একটি ক্রয়/লেনদেন নিশ্চিত করার জন্য তোমার ক্রেডিট কার্ডের বিবরণ চাইতে পারে কিংবা পোপ-আপ ম্যাসেজের মাধ্যমে জানানো হয় যে তুমি পুরষ্কার জিতেছো, পেতে হলে এখানে ক্লিক করো।

কিছু ফিশিং স্ক্যাম বেশ বাস্তবসম্মত দেখতে। স্ক্যামাররা প্রায়ই আসল কোম্পানির পক্ষ থেকে বলছে উল্লেখ করে, যেখানে তোমার একটি অ্যাকাউন্ট রয়েছে। তাই ইমেইল ও ম্যাসেজ ভালোভাবে যাচাই করতে হবে।


কয়েকটি টিপস যা তোমাকে ফিশিং থেকে নিরাপদ রাখতে সহায়তা করবে:

কোন নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠানে তোমার পাসওয়ার্ড চাইবে না।

তুমি যদি কোনো প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ

 না করো আর পপ-আপ ম্যাসেজে বলে যে তুমি পুরষ্কার জিতেছো তবে তা স্ক্যাম।

ম্যাসেজ কে পাঠিয়েছে তা ভালোভাবে যাচাই করো। যদিও তারা আসল প্রতিষ্ঠান থেকে বলছে বলে দাবী করে যে প্রতিষ্ঠানে তোমার অ্যাকাউন্ট আছে। স্ক্যামারদের ইমেইল আইডি অনেকটাই উদ্ভট নম্বর, অক্ষর ও শব্দের মিশ্রন থাকে যা নির্ভরযোগ্য কোনো প্রতিষ্ঠানের না।

প্রয়োজনে অনলাইনে নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অফিসিয়াল ইমেইল আইডি যাচাই করা উচিত।

ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানকে বলে স্ক্যাম ইমেইল ব্লক করার কথা জানিয়ে দেয়া জরুরি।




পপ-আপস :

যেকোনো ওয়েবসাইটে ভিজিট করলে মাঝে মাঝে সেখানে ছোট ছোট ম্যাসেজ পপ-আপ হিসেবে স্ক্রিণে চলে আসে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন হিসেবে সেগুলো এসে থাকে। এছাড়া স্ক্যামাররা ব্যাক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নিতে এ কাজ করে থাকে। আর তাই সেসব পপ-আপে ক্লিক না করাই শ্রেয়। কারণ এসব অনেকাংশে ঝুঁকিপূর্ণ।




কিউআর-কোড :


কিউআর কোড একটি ট্রেডমার্ক যা বারকোডের একটি ধরণ এবং এটি প্রথম নকশা করা হয়েছে জাপানে। এটি এক প্রকারের বারকোড,যা মেশিনে পাঠযোগ্য। লেবেলটি স্ক্যান করা হলে এর সাথে সংযুক্ত তথ্য প্রদর্শিত হয়।
উদাহরণস্বরূপ,অসংখ্য ট্রাভেল টিকেট বর্তমানে কোডের মাধ্যমে পাঠযোগ্য যা স্মার্টফোন থেকে সরাসরি স্ক্যান করা যায়। অনেক ওয়েবসাইট এবং বিজ্ঞাপন সংক্রান্ত ক্যাম্পেইনে এ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয় , যেনো মানুষজন বিস্তারিত তথ্য সহজেই পেয়ে যায়।



রিকোভারি :

অনলাইনে অনেক সময় ভুল হয়ে যেতে পারে এবং ভুল থেকে কিভাবে পরিত্রান পাওয়া যায় তা জেনে নেয়া জরুরি যেনো তুমি পুনরায় ডিজিটাল বিশ্বকে পুরোদমে উপভোগ করতে পারো। পুনরুদ্ধারের একটি মূল অংশ হলো ডিজিটাল স্থিতিস্থাপকতা বা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসা। কিছু গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট নিচে দেয়া হলো তা মনে রাখা উত্তম:

এমন কিছু যা তোমাকে ভয় পাইয়ে দেয় বা বিমর্ষ করে তোলে তখন তা একজন বিশ্বস্ত প্রাপ্তবয়স্ক বন্ধুকে জনাও। 
হেনস্থার শিকার হলে একজন বিশ্বস্ত প্রাপ্তবয়স্ক বন্ধুর সঙ্গে আলোচনা করো যে তোমাকে সাহায্য করবে।
অনলাইনে কোনো কিছু পোস্ট করলে তা যদি নিজের কাছে বিব্রতকর মনে তবে তৎক্ষণাত তা সরিয়ে ফেলো।
কোন বন্ধুর ছবি আপলোড করার পর যদি সে বন্ধু বিমর্ষ হয়ে যায় তবে তা সরিয়ে ফেলে তার কাছে ক্ষমা চেয়ে নেয়া উত্তম।
কারও কাছে যদি পাসওয়ার্ড বলে থাকো, তবে এখনই তা পরিবর্তন করে কঠিন পাসওয়ার্ড দাও যা অন্য কেউ অনুমান করতে না পারে।
গোপনীয়তা ও অবস্থানের তথ্য সংক্রান্ত সেটিংস যাচাই করো যাতে অন্য কেউ তোমার তথ্য ব্যবহার করে অন্যায় কাজ না করতে পারে।



About the Author

Mystery Knowledge and Reality...!!!

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Information is wealth... MKR Web
Site is Blocked
Sorry! This site is not available in your country.