Visit our YouTube channel Visit Now Watch Now!

মাটি দূষণ এক নীরব আতঙ্ক



 মাটি দূষণ কি ?

- যখন মাটিতে কোন অবাঞ্চিত বা অপ্রয়োজনীয় উপাদান কৃত্তিম বা প্রাকৃতিকভাবে যুক্ত হয়ে মাটির স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য/গুনাগুণ নষ্ট করে তখন তাকে মাটি দূষণ বলে।


মাটি দূষণের কারণ কি ?


মাটি দূষণের কৃত্তিম কারণ : 

১.জমিতে রাসায়নিক সার ও কীটনাশক প্রয়োগ করা ২.কলকারখানার বর্জ্য পদার্থ যত্রতত্র ফেলা ৩.অপরিকল্পিত নগরায়ন ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা

৪.বন উজাড় ও গাছপালা নিধন

৫.বিভিন্ন তেজষ্ক্রিয় ও ক্ষতিকর রাসায়নিক বস্তু মাটির মধ্যে ফেলা 


 মাটি দূষণের প্রাকৃতিক কারণ : 

১.প্রবল বন্যা

২.জলোচ্ছ্বাস

৩.তীব্র দাবানল

৪.আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত

৫.এসিড বৃষ্টি


মাটি দূষণের কারণে কি কি রোগ হয় ?

মাটি দূষণের কারণে সৃষ্ট রোগ :

১.চর্ম এবং পাকস্থলির রোগ সংক্রমণ

২.কিডনি ও লিভারের রোগ

৩.কলেরা ও আমাশয়

৪.ক্যান্সার , ম্যালেরিয়া



মাটি দূষণ প্রতিকারের ও প্রতিরোধের উপায় কি ?

বিশেষ দ্রষ্টব্য‌‌ : প্রতিকার অপেক্ষা প্রতিরোধ উত্তম


মাটি দূষণের প্রতিকার : 

মাটি দূষিত হওয়ার পর সেই মাটি বিভিন্ন উপায়ে দূষণমুক্ত করে ব্যবহার উপযোগী করাকে মাটি দূষণের প্রতিকার বলে - যেমন :

১. মাটির pH পরীক্ষার মাধ্যমে ফসল ফলানোর উপযোগী করে তুলতে হবে

২. মটর ও অন্যান্য নাইট্রোজেন বৃদ্ধিকারি উদ্ভিদ চাষ করে মাটির উর্বরতা শক্তি বৃদ্ধি করতে হবে

৩. খালি পায়ে দূষিত মাটিতে চলাচল করা যাবে না ; স্যান্ডেল বা জুতা পায়ে দিয়ে হাঁটতে হবে ।


মাটি দূষণ প্রতিরোধ : 

মাটি যেন দূষিত না হয় সেজন্য গৃহীত পূর্ব পদক্ষেপ সমূহকে মাটি দূষণ প্রতিরোধ বলে । মাটি দূষণের কারণগুলো সমাধান করলেই মাটি দূষণ প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে ; যেমন -

১.পরিকল্পিত নগরায়ন ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য বিশেষ পদক্ষেপ নিতে হবে

২. একটি গাছ কাটলে ৩ টি গাছ লাগাতে হবে যাতে মাটির ক্ষয় রোধ হয়

৩. রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের পরিবর্তে জৈব সার ও প্রাকৃতিক উপায়ে ক্ষতিকর পোকামাকড় দমন করতে হবে।

৪.পলিথিন বা প্লাস্টিক হজম করতে পারে এমন ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা বৃদ্ধি করতে হবে।

৫.পলিথিন বা প্লাস্টিক রিসাইকেল করে পুনরায় ব্যবহার উপযোগী করতে হবে।




About the Author

Mystery Knowledge and Reality...!!!

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Information is wealth... MKR Web
Site is Blocked
Sorry! This site is not available in your country.