মাটি দূষণ কি ?
- যখন মাটিতে কোন অবাঞ্চিত বা অপ্রয়োজনীয় উপাদান কৃত্তিম বা প্রাকৃতিকভাবে যুক্ত হয়ে মাটির স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য/গুনাগুণ নষ্ট করে তখন তাকে মাটি দূষণ বলে।
মাটি দূষণের কারণ কি ?
মাটি দূষণের কৃত্তিম কারণ :
১.জমিতে রাসায়নিক সার ও কীটনাশক প্রয়োগ করা ২.কলকারখানার বর্জ্য পদার্থ যত্রতত্র ফেলা ৩.অপরিকল্পিত নগরায়ন ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা
৪.বন উজাড় ও গাছপালা নিধন
৫.বিভিন্ন তেজষ্ক্রিয় ও ক্ষতিকর রাসায়নিক বস্তু মাটির মধ্যে ফেলা
মাটি দূষণের প্রাকৃতিক কারণ :
১.প্রবল বন্যা
২.জলোচ্ছ্বাস
৩.তীব্র দাবানল
৪.আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত
৫.এসিড বৃষ্টি
মাটি দূষণের কারণে কি কি রোগ হয় ?
মাটি দূষণের কারণে সৃষ্ট রোগ :
১.চর্ম এবং পাকস্থলির রোগ সংক্রমণ
২.কিডনি ও লিভারের রোগ
৩.কলেরা ও আমাশয়
৪.ক্যান্সার , ম্যালেরিয়া
মাটি দূষণ প্রতিকারের ও প্রতিরোধের উপায় কি ?
বিশেষ দ্রষ্টব্য : প্রতিকার অপেক্ষা প্রতিরোধ উত্তম
মাটি দূষণের প্রতিকার :
মাটি দূষিত হওয়ার পর সেই মাটি বিভিন্ন উপায়ে দূষণমুক্ত করে ব্যবহার উপযোগী করাকে মাটি দূষণের প্রতিকার বলে - যেমন :
১. মাটির pH পরীক্ষার মাধ্যমে ফসল ফলানোর উপযোগী করে তুলতে হবে
২. মটর ও অন্যান্য নাইট্রোজেন বৃদ্ধিকারি উদ্ভিদ চাষ করে মাটির উর্বরতা শক্তি বৃদ্ধি করতে হবে
৩. খালি পায়ে দূষিত মাটিতে চলাচল করা যাবে না ; স্যান্ডেল বা জুতা পায়ে দিয়ে হাঁটতে হবে ।
মাটি দূষণ প্রতিরোধ :
মাটি যেন দূষিত না হয় সেজন্য গৃহীত পূর্ব পদক্ষেপ সমূহকে মাটি দূষণ প্রতিরোধ বলে । মাটি দূষণের কারণগুলো সমাধান করলেই মাটি দূষণ প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে ; যেমন -
১.পরিকল্পিত নগরায়ন ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য বিশেষ পদক্ষেপ নিতে হবে
২. একটি গাছ কাটলে ৩ টি গাছ লাগাতে হবে যাতে মাটির ক্ষয় রোধ হয়
৩. রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের পরিবর্তে জৈব সার ও প্রাকৃতিক উপায়ে ক্ষতিকর পোকামাকড় দমন করতে হবে।
৪.পলিথিন বা প্লাস্টিক হজম করতে পারে এমন ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা বৃদ্ধি করতে হবে।
৫.পলিথিন বা প্লাস্টিক রিসাইকেল করে পুনরায় ব্যবহার উপযোগী করতে হবে।
.webp)