Visit our YouTube channel Visit Now Watch Now!

কণা ও প্রতিকণা


ফার্মিওন :

বস্তু মানে, যাদের ভর আছে। পদার্থ, প্রতিপদার্থ, ডার্ক ম্যাটার বা গুপ্তবস্তু ইত্যাদি সবই বস্তু। ইতালীয় পদার্থবিজ্ঞানী এনরিকো ফার্মির নামে বস্তুর কণাদের বলে ফার্মিওন। কণা-পদার্থবিজ্ঞানের স্ট্যান্ডার্ড বা প্রমিত মডেল অনুযায়ী, ফার্মিওনের দুটো প্রকার আছে। ( কোয়ার্ক ও লেপটন)।আবার গাণিতিকভাবে ফার্মিওন তিন ধরনের ভাইল ফার্মিওন, ডিরাক ফার্মিওন এবং মাজোরানা ফার্মিওন ।

 বাংলাদেশি বিজ্ঞানী এম জাহিদ হাসান ২০১৫ সালে ভাইল ফার্মিওন কণাটি শনাক্ত করেছেন। 

কোয়ার্ক : 


কোয়ার্ক একটি মৌলিক কণা নিউট্রন, প্রোটনের মতো হ্যাড্রনরা এটি দিয়েই গঠিত। বিজ্ঞানী মারে গেল-মান কোয়ার্ক আবিষ্কার করেন। মোট ছয় ধরনের কোয়ার্ক আছে আপ, ডাউন, টপ, বটম, চার্ম এবং স্ট্রেঞ্জ কোয়ার্ক। এদের চার্জ হয় ভগ্নাংশে। (আপ, চার্ম ও টপ-এ তিনটির চার্জ ২/৩ আর ডাউন, বটম ও স্ট্রেঞ্জ কোয়ার্কের চার্জ -১/৩

 লেপটন :


কোয়ার্কের মতোই লেপটনও একটি মৌলিক কণা। এদের স্পিন সব সময় ১/২ হয়। (ইলেকট্রন একটি চার্জিত লেপটন কণা আবার নিউট্রিনো একটি চার্জ-নিরপেক্ষ লেপটন

হ্যাড্রন :

হ্যাড্রনও একধরনের ফার্মিওন, তবে এটি মৌলিক কণা নয় একাধিক কোয়ার্ক একসঙ্গে যুক্ত হয়ে হ্যাড্রন গঠন করে কোয়ার্কের সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে (হ্যাড্রন দুই প্রকার) ব্যারিয়ন এবং মেসন।

ব্যারিয়ন :

 বিজোড়সংখ্যক কোয়ার্ক, সাধারণত ৩টি, একসঙ্গে যুক্ত হয়ে তৈরি করে ব্যারিয়ন প্রোটন ও নিউট্রন ব্যারিয়ন কণা। সে হিসেবে এরা হ্যান্ড্রন ও ফার্মিওনের অন্তর্ভুক্ত।


মেসন :

জোড়সংখ্যক কোয়ার্ক-সাধারণত এর একটি হয় কোয়ার্ক আর একটি হয় সেই কোয়ার্কের প্রতিকণা-শক্তিশালী নিউক্লিয়ার বল দিয়ে একসঙ্গে যুক্ত হয়ে মেসন তৈরি করে। পায়ন বা পাই মেসন একটি মেসন কণা । 

ইলেকট্রন : 

(ঋণাত্মক চার্জবিশিষ্ট লেপটন কণা) এরা ধনাত্মকভাবে চার্জিত নিউক্লিয়াসের চারপাশে ঘোরে। ১৮৯৭ সালে ব্রিটিশ বিজ্ঞানী জে জে থমসন ইলেকট্রন আবিষ্কার করেন। চার্জ-১। এর প্রতিকণা পজিট্রন। পজিট্রনের চার্জ +১।


প্রোটন : 

ধনাত্মক চার্জবিশিষ্ট ব্যারিয়ন (হ্যাড্রন) কণা এটি দুটি আপ কোয়ার্ক এবং একটি ডাউন কোয়ার্ক দিয়ে গঠিত চার্জ +১। এর প্রতিকণাকে বলে প্রতিপ্রোটন। প্রতিপ্রোটনের চার্জ-১।


নিউট্রন : 

(নিউট্রন একটি চার্জ-নিরপেক্ষ ব্যারিয়ন (হ্যাড্রন কণা)। এটি দুটি ডাউন কোয়ার্ক এবং একটি আপ কোয়ার্ক দিয়ে গঠিত প্রতিটি আপ কোয়ার্কের চার্জ +২/৩ এবং ডাউন কোয়ার্কের চার্জ -১/৩। যেহেতু (+২/৩-১/৩-১/৩) = ০ ।

 তাই এটি চার্জ-নিরপেক্ষ। নিউট্রনের প্রতিকণাও চার্জ নিরপেক্ষ, এর নাম প্রতিনিউট্রন। দুটো প্রতি-ডাউন আর একটা প্রতি-আপ কোয়ার্ক মিলে তৈরি হয় প্রতিনিউট্রন।


নিউট্রিনো : 

চার্জ-নিরপেক্ষ লেপটন। এর প্রতিকণার নাম প্রতিনিউট্রিনো। 


পায়ন : 

পায়ন বা পাই মেসন সবচেয়ে হালকা মেসন কণা এরা একটি কোয়ার্ক এবং প্রতিকোয়ার্ক দিয়ে গঠিত তিন ধরনের পায়ন কণা আছে। π°, π+, π-


মিউওন :

ইলেকট্রনের চেয়ে ২০০ গুণ ভারী লেপটন কণা। ভর ছাড়া আর সব দিক থেকে এটি হুবহু ইলেকট্রনের মতোই। এর স্পিনও ১/২।


টাউ :

ইলেকট্রনের চেয়ে ৪ হাজার গুণ ভারী লেপটন। এটিও ভর ছাড়া আর সব দিক থেকে হুবহু ইলেকট্রনের মতো।

 বোসন : 

বাঙালি বিজ্ঞানী সত্যেন বোসের নামে বলবাহী কণাদের নামকরণ করা হয়েছে বোসন। আলোর কণা ফোটন একটি বোসন।


কেওন : 

বোসনের শত শত প্রকারের কেবল একটির মধ্যে পদার্থ এবং প্রতিপদার্থের সুস্পষ্ট পার্থক্য দেখা যায়। এর নাম চার্জ-নিরপেক্ষ (কেওন) কণাপদার্থবিজ্ঞানের হিসেবে এটিকে "K" প্রতীক দিয়ে চিহ্নিত করা হয় একটি ডাউন কোয়ার্ক ও একটি স্ট্রেঞ্জ প্রতিকোয়ার্ক মিলে তৈরি হয় K°, যাদের বৈদ্যুতিক চার্জ যোগ করলে কাটাকাটি হয়ে শূন্য হয়ে যায়। এ জন্যই এরা চার্জ-নিরপেক্ষ এদের প্রতিকণা, প্রতি-K° তৈরি হয় একটি স্ট্রেঞ্জ কোয়ার্ক ও একটি ডাউন প্রতিকোয়ার্ক মিলে। প্রকৃতিতে K+ এবং K- কণাও পাওয়া যায়।



About the Author

Mystery Knowledge and Reality...!!!

Post a Comment

Information is wealth... MKR Web
Site is Blocked
Sorry! This site is not available in your country.