খরচ কমানোর ৫টি কার্যকর উপায়
১. পুরো মাসের বাজেট করুন। তুলনামূলক কম প্রয়োজনীয় খরচগুলো বাদ দিন।
২. ডিসকাউন্ট বা অফার দেখে কেনাকাটা করতে পারেন। বাজার যাচাই করে সাশ্রয়ী জায়গা থেকে কিনুন।
৩. এনার্জি সেভিং ডিভাইস ব্যবহার করুন। বিদ্যুৎ ব্যবহারে সচেতন হোন।
৪. বাইরে খাওয়ার পরিবর্তে ঘরে তৈরি খাবার গ্রহণ করুন।
৫. যাতায়াতের ক্ষেত্রে রিক্সার পরিবর্তে কিছুটা হাটা, গাড়ি/সিএনজির পরিবর্তে বাস ব্যবহার করুন।
এছাড়া যে ৫টি উপায়ে অফিস বা ক্লাসের সময়ের বাইরে কিছু বাড়তি উপার্জন করতে পারেন।
১. অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং:
অনলাইন বা সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে পণ্য প্রচার করে কমিশন অর্জন করা। জনপ্রিয় ই-কমার্স সাইটের প্রোডাক্টের লিংক শেয়ার করে আয় করা সম্ভব।
২. ডিজিটাল প্রোডাক্ট বিক্রি:
ইবুক, অনলাইন কোর্স, বা ডিজিটাল আর্টওয়ার্ক তৈরি করে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে বিক্রি করা। একবার কন্টেন্ট তৈরি করার পর এটি থেকে নিয়মিত উপার্জন সম্ভব।
৩. মিউজিক স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে অডিও কন্টেন্ট:
গান, পডকাস্ট, বা অডিও বুক তৈরি করে বিভিন্ন মিউজিক স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে আপলোড করে রয়্যালটি অর্জন করা যায়।
৪. রেন্টাল ইনকাম:
ফ্ল্যাট, গাড়ি, ক্যামেরা, বা অন্যান্য যন্ত্রপাতি ভাড়া দিয়ে উপার্জনের সুযোগ আছে। নিজস্ব সম্পত্তি বা ব্যবহার না করা জিনিসগুলো ভাড়া দিয়ে আয় করা সহজ উপায় হতে পারে।
৫. অনলাইন টিউশন বা কোচিং:
নিজের বিষয়ে দক্ষতা বা জ্ঞান থাকলে, অনলাইনে টিউশন বা কোচিং ক্লাস নেওয়া। এটি পার্ট-টাইম কাজ হলেও, একবার সিস্টেম সেটআপ করার পর তা থেকে প্যাসিভ ইনকাম হতে পারে।



